1. munnait2020@gmail.com : newsdesk :
করোনায় এক দিনে সর্বোচ্চ ১০১ জনের মৃত্যু - জাগো দর্পণ
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদ সংক্ষেপঃ
মঠবাড়িয়ায় মাদক মামলায় মা ও মেয়ের সশ্রম কারাদন্ড নাজিরপুরে ভিমরুলের কামড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু ইন্দুরকানীতে গলায় ফাঁস লাগানো ভাসমান অজ্ঞাত যুবতীর মরদেহ উদ্ধার কাউখালীতে ২শ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার-২ পিরোজপুরে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ ৩ শত পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা বিতরণ ১৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করার মামলায় রাগীব আহসান ও তার ৩ ভাই ৭ দিনের রিমান্ডে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সম্পাদকের জন্মদিন উপলক্ষে পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা এহসান গ্রুপের অভিনব প্রতারণা সুদমুক্ত বিনিয়োগের ধারণা দিয়ে ১৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ১৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ // সহযোগীসহ এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান রাগীব আটক পিরোজপুরে গ্রাহককে ডেকে নিয়ে মারধরের ঘটনায় এহসান গ্রুপ পরিচালকের দুই ভাই গ্রেফতার

করোনায় এক দিনে সর্বোচ্চ ১০১ জনের মৃত্যু

সংবাদদাতা
  • প্রকাশের সময় শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৪৩ জন দেখেছেন

গত এক বছরের মধ্যে এই প্রথম দেশে করোনায় মৃত্যু শতকের ঘর ছাড়াল। গত চব্বিশ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ ১০১ জন মারা গেছেন। আর নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ৪১৭ জন। আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৮ হাজার ৯০৬ জনের। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

এ পর্যন্ত দেশে মোট ৭ লাখ ১১ হাজার ৭৭৯ জনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছেন ১০ হাজার ১৮২ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ২ হাজার ৯০৮ জন।

গতকাল করোনায় ৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আর ৪ হাজার ১৯২ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্তের কথা জানায় সরকার। গত বছরের মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর থেকে শনাক্তের হার কমতে শুরু করে।

গত জুন থেকে আগস্ট—এই তিন মাস করোনার সংক্রমণ ছিল তীব্র। মাঝে নভেম্বর-ডিসেম্বরে কিছুটা বাড়লেও বাকি সময় সংক্রমণ নিম্নমুখী ছিল। এ বছর মার্চে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে এবার সংক্রমণ বেশি তীব্র। মধ্যে কয়েক মাস ধরে শনাক্তের চেয়ে সুস্থ বেশি হওয়ায় দেশে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে আসছিল। কিন্তু মার্চ থেকে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাও আবার বাড়তে শুরু করেছে।

কোনো দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঠিক করা কিছু নির্দেশক থেকে বোঝা যায়। তার একটি হলো রোগী শনাক্তের হার। টানা দুই সপ্তাহের বেশি রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়। এ বছর ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শনাক্তের হার ৩ শতাংশের নিচে ছিল। দুই মাস পর গত ১০ মার্চ দৈনিক শনাক্ত আবার হাজার ছাড়ায়। এরপর দৈনিক শনাক্ত বাড়ছেই।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ মার্চ বেশ কিছু বিধিনিষেধসহ ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এর মধ্যে ঘরের বাইরে গেলে মাস্কের ব্যবহার অন্যতম। কিন্তু সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকলেও জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে এখনো উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে। জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার বিকল্প নেই।

শেয়ার করুন

একই ধরনের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 JagoDarpan
Theme Customized BY JAGODARPAN